মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩

সরিয়ে দেয়া হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের শাহ আলমকে

সরিয়ে দেয়া হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের শাহ আলমকে

সরিয়ে দেয়া হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের শাহ আলমকে

বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

 

 

৩৩০ বার পড়া হয়েছে

প্রিয় পাঠকঃহাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটের তথ্য চাপা দেওয়ার অভিযোগ ওঠায় বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের দায়িত্ব থেকে নির্বাহী পরিচালক শাহ আলমকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফিশিয়াল আদেশে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তার (শাহ আলম) বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তাই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।
এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী এবং বর্তমান নির্বাহী পরিচালক শাহ আলমের অনিয়ম-দুর্নীতি খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আদালতে ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদুল হকের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে স্টাফ ‘ল’ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম।
অভিযোগ উঠেছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অনিয়ম চাপা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন কর্মকর্তাদের ‘মাসোয়ারা’ দেয়া হতো। এসব অনিয়মের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের তৎকালীন মহাব্যবস্থাপক এবং বর্তমান নির্বাহী পরিচালক শাহ আলম, সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী। ব্যাংকের পরিদর্শন কর্মকর্তাদেরও ‘মাসোয়ারা’ হিসেবে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা করে দেয়া হতো।

আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব কথা জানিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদুল হক।কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, কোনো ব্যক্তির দায় প্রতিষ্ঠান নেবে না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, প্রয়োজনে স্টাফ ‘ল’ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি টিম ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাশেদুল হককে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিলে তিন দিনের মাথায় গত মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বাকী বিল্লাহর কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি।
আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে রাশেদুল হক দাবি করেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নানা অনিয়ম চাপা দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শন কর্মকর্তাদের পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা করে দিতে হতো। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের তৎকালীন মহাব্যবস্থাপক শাহ আলমকে প্রতি মাসে দেয়া হতো দুই লাখ টাকা করে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর এসব অনিয়ম ‘ম্যানেজ’ করতেন তৎকালীন ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী।
এসব অভিযোগ ওঠার পর প্রাথমিক ব্যবস্থা হিসাবে নির্বাহী পরিচালক শাহ আলমকে সরিয়ে দেওয়া হলো।

/

ট্যাগ :

আরো পড়ুন