মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩

রিয়াজউদ্দিন ও টেরিবাজারের আবাসিক মেস এখন জামায়াতি হেডকোয়ার্টার

রেয়াজউদ্দিন ও টেরিবাজারের আবাসিক মেস এখন জামায়াতি হেডকোয়ার্টার

রেয়াজউদ্দিন ও টেরিবাজারের আবাসিক মেস এখন জামায়াতি হেডকোয়ার্টার

মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২

 

 

১৩৮ বার পড়া হয়েছে

জুবায়ের সিদ্দিকীঃচট্টগ্রাম মহানগরীতে অবস্থিত দুটি বৃহৎ ব্যবসা কেন্দ্র টেরিবাজার ও রিয়াজউদ্দিন বাজার।এখানে নানা পন্যের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা হয়ে আসছে ।হাজার হাজার মালিক কর্মচারী ব্যবসা বাণিজ্য করে আসছেন যুগ যুগ ধরে।এই দুই ব্যবসা কেন্দ্রে চট্টগ্রামের একটি বিশেষ অঞ্চলের লোকজনই দাপটের সাথে প্রভাব বিস্তর করে আছেন।

এই দুই বৃহৎ ব্যবসা কেন্দ্রকে ঘিরে গড়ে উঠেছে আবাসিক মেস কোয়াটার। এসব ব্যাচেলর মেসের বেশির ভাগ বাসাগুলোতে অধিকাংশ সময় দোকান বন্ধের পর রাতে বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ড নিয়ে চলে গোপন বৈঠক।ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা পেশার আড়ালে এখানে জামায়াতের কর্মকান্ড পরিচালিত করছে।

অনুসন্ধান ও ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গেছে, ব্যাচেলর মেসের ঘনবসতি গড়ে উঠায় স্বাধীনতা বিরোধী চক্র মানুষের জট ও ভীড়ের আড়ালে গোপন রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছে।মালিক ও কর্মচারীদের ছদ্মবেশ ধারন করে জামায়াতকে সংগঠিত ও দাওয়াতী কার্যকমের পাপশাপাশি অস্ত্র বেচাকেনা, প্রতারনা , পুলিশের সাথে সখ্যতা, নব্য আওয়ামীলীগারদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে তাদের ছএছায়ায় থাকা প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া প্রভাবশালী নেতাদের ঘনিষ্টতা প্রচার করে প্রশাসনকে ব্যবহার করা ও অপপ্রচারের নাম ও ব্যবহার সহ আওয়ামীলীগার হিসাবে স্বপ্রণোদিত ভাবে প্রচার করা, অমুক ভাই, অমুক ভাইয়ের ঘনিষ্ট অনুসারী হিসাবে ব্যবসায়ী মহল ও প্রশাসনের সব শাখা উপশাখায় প্রচার করা সহ নানাবিধ কৗশল ও টেকনিক অবলম্বন করে সরকারের শেষ সময় এসে সক্রিয় হয়ে উঠছে অপরাধীচক্র।

অবাক হতে হয়,দিনে আওয়ামীলীগ রাতে জামায়াত এর দাওয়াতী কার্যকমের আড়ালে একটি মহল বিপুল অর্থ খরচ করে সরকারের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তে লিপ্ত বলে জানা গেছে।

টেরিবাজারে টাউট বাটপারদের টেরিরিজম

জানা গেছে,রিয়াজউদ্দিন বাজার ও টেরিবাজারে অসংখ্য মেস এখন জামায়াত শিবিরের নিরাপদ ঘাঁটি।সরকার বিরোধী প্রচারণার ভিন্ন ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে এরা এসব মেসকে নিরাপদ ঠিকানা হিসাবে ব্যবহার করছে।এ ব্যাপারে একটি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা জানান,বিষয়টি মাথায় রেখে নজরদারী বাড়ানো হয়েছে।কোন গোপন বৈঠক বা প্রস্তুতির খবর পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অভিজ্ঞমহল ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন,ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের বেশে দাওয়াতি কার্যক্রমের আড়ালে জামায়াত আবার নতুন করে সংঘটিত হচ্ছে।এই মহলটি মনে করেন,এখনই এদের চিহিুত করা না গেলে ভবিষ্যতে এরা অপরাধের সকল কৌশল ব্যবহার করবে।

অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে,টেরিবাজার ও রিয়াজউদ্দিন বাজারের বিভিন্ন মার্কেটের উপরে এসব মেসের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।এসব মেসে দক্ষিণ চট্টগ্রামের একটি বিশেষ এলাকার জামায়াতের সক্রিয় সদস্য ও ক্রাডারদের নিয়মিত আসা যাওয়া রয়েছে। এরা অস্ত্র বেচাকেনায়ও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত।এরা নিজেদের নব্য আওয়ামীলীগার বঙ্গবন্ধুর আদর্শে র সৈনিক দাবী করলেও মূলত এরা জামায়াতের সৈনিক।

ট্যাগ :

আরো পড়ুন