মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩

ভ্যাটঃ“ছাগলের জন্য গরু সিন্নী’’

ভ্যাটঃ“ছাগলের জন্য গরু সিন্নী’’

ভ্যাটঃ“ছাগলের জন্য গরু সিন্নী’’

মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১

 

 

১৭৪ বার পড়া হয়েছে

প্রিয় পাঠকঃভ্যাট নিয়ে অস্বস্তিতে আছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এসব ব্যবসায়ীরা প্রতিমাসে ভ্যাট দিতে গিয়ে হয়রানী ও বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।
সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়,একজন দোকানদার প্রতিমাসের ১৫ তারিখ মধ্যে সোনালী ব্যাংকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ভ্যাটের টাকা চালান মূলে জমা দেন।এরপর অনলাইনে সেটা পাঠান। তারপর স্বশরীরে ভ্যাট অফিসে গিয়ে চালানের একটি কপিতে সিল-স্বাক্ষর জমা দিয়ে আসতে হয়।

এখানেই শেষ নয়,একজন ভ্যাট প্রদানকারীকে মুসক-৯.১ ফরম এর ৬টি ধারা পূরণ করতে হয়।এসব ফরমে করদাতার তথ্য,দাখিল পএ জমার তথ্য, প্রদেয় কর,উপকরন কর,নীট কর হিসাব,পুরাতন একটি হিসাবের জের সমন্বয়,কর পরিশোধ তফশীল, পরবর্তী কর মেয়াদের প্রারম্ভিক জের, ফেরত, ঘোষণা, সমার্থক, সারমর্ম- ছ সহ অসংখ্য তথ্য প্রতিবার প্রতিমাসে পূরণের বিধান করা হয়েছে।

অথচ ফোন -ফ্যাক্সের দোকানে দুই মিনিটের মাঝে অনলাইনে এ কাজ করা যায়। অবশ্য এই কাজের জন্য খরচ করতে হয় ১০০ টাকা।

১৫ তারিখের মধ্যে ভ্যাট জমা না দিলে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে ১০ হাজার টাকা। এভাবে ক্ষুদে ব্যবসায়ীরা প্রতিমাসে হয়রানী ও বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।মাএ এক হাজার টাকা ভ্যাট দিতে গিয়ে প্রতিমাসে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন শত শত ব্যবসায়ী।

এ বিষয়ে একজন ব্যবসায়ী জানান,প্রতিমাসে সোনালী ব্যাংকে একহাজার টাকা জমা দিতে দুই থেকে তিন ঘন্টা লাইসে দাঁড়াতে হয়।এরপর সদরঘাট ভ্যাট অফিসে গিয়ে সংশ্লিষ্ট সার্কেলে জমা দিতে হয় ভ্যাটের চালান।এরপর অনলাইন করা,ফরম পূরন করা সহ এতসব কাজকে মনে হয়”ছাগলের জন্য গরু শিন্নী” দেয়ার মতো অবস্থা।

ট্যাগ :

আরো পড়ুন