মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

বাংলাদেশের উত্থানে মুগ্ধ পাকিস্তান

বাংলাদেশের উত্থানে মুগ্ধ পাকিস্তান

বাংলাদেশের উত্থানে মুগ্ধ পাকিস্তান

বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১

 

 

৪৮৪ বার পড়া হয়েছে

প্রিয় পাঠকঃজিডিপি’তে বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে বলে পাকিস্তানের মিডিয়া এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের এক কলামে বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। কলামে বলা হয় বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর কেউ বিশ্বাস করত না দেশটি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে স্বাধীন সার্বভৌম হয়ে টিকে থাকবে। আর সেই বাংলাদেশ এখন বিশ্বকে চমক দিচ্ছে। ফিনিক্স পাখির মত ছাঁইয়ের ওপর থেকে পুনর্জন্ম নিয়ে মাথা তুলে গৌরবের জানান দিচ্ছে বাংলাদেশ।

অপ্রত্যাশীতভাবে এবং খুবই চিত্তাকর্ষকভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ২০০৬ সালে পাকিস্তানকে জিডিপি’তে ছাড়িয়ে যায় বাংলাদেশ। তখন থেকে প্রতি বছর পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ এবং নেতৃস্থানীয় অর্থনীতিবিদদের অবাক করে, আজ বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির একটি দেশ এটি। মাথাপিছু আয়ে ভারতকে আবারো ছাড়িয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ বছর চলতি মূল্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি হবে ২ হাজার ১৩৮ দশমিক ৭৯৪ ডলার। আর একই সময়ে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি হবে ২ হাজার ১১৬ দশমিক ৪৪৪ ডলার। এর ফলে এই নিয়ে পরপর দুই বছর ভারতকে পেছনে ফেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে পথিক হাসানের কলামে বলা হয়েছে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পোশাক রপ্তানিকারক এবং অন্যান্য অনেক খাতেই দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এই দেশটি বিশ্বের শীর্ষ ১০ রেমিট্যান্স গ্রহণকারী দেশগুলির মধ্যে রয়েছে এবং বছরে প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স কোভিড মহামারীর সময়ে এক দুর্দান্ত সহায়তা। সব কৃতিত্ব জাতির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধানমন্ত্রীর কন্যা শেখ হাসিনার। তিনি ধর্মীয় চরমপন্থা ও গোঁড়ামির বৃদ্ধির উপর দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ রাখতে পেরেছেন এবং ধর্ম ও রাষ্ট্রকে পৃথক রাখতে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দেশটি পরিচালনা করেছেন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জাতীয় নীতির অন্যান্য খাতে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়েছেন।
গার্মেন্টস শিল্প চীনের পরেই দ্বিতীয় এবং এর অর্থনীতি গত ১০ বছরে বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ৬ শতাংশের উপরে উঠেছে ২০১৫ সালে ৭.৮৬ শতাংশে পৌঁছেছে। ১৬৬ মিলিয়নেরও বেশি জনসংখ্যার এ দেশে মাথাপিছু আয় ২০০৯ সাল থেকে প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিশ্বব্যাংকের মতে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ১৯ থেকে ৯ শতাংশে নেমেছে। বাংলাদেশ আজ ‘স্বল্পোন্নত দেশ’ এর মর্যাদা থেকে ‘উন্নয়নশীল অর্থনীতির’ মর্যাদায় উন্নীত হওয়ার জন্য জাতিসংঘের মানদণ্ড পূরণ করেছে যা দেশটির জাতীয় গর্ব এবং স্ব-ভাবমূর্তিকে একটি উল্লেখযোগ্য উন্নতি দিয়েছে।

ট্যাগ :

আরো পড়ুন