মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩

দর্শক উল্লাসে জল ঢালছে লাইভ বল-ট্র্যাকিং প্রযুক্তি

দর্শক উল্লাসে জল ঢালছে লাইভ বল-ট্র্যাকিং প্রযুক্তি

দর্শক উল্লাসে জল ঢালছে লাইভ বল-ট্র্যাকিং প্রযুক্তি

বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২

 

 

২৫ বার পড়া হয়েছে

প্রিয় পাঠকঃচলমান কাতার বিশ্বকাপে চমকপ্রদ প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট (ভিআর), লাইভ বল-ট্র্যাকিং বেশ আলোচনায় রয়েছে। এসব প্রযুক্তির ব্যবহার করে নিখুঁতভাবে অফসাইড নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে বেশ কয়েকটি গোল অফসাইডের খাতায় পড়ে বাতিল হতেও দেখা যায়।

জার্মানির এআই সমাধান প্রদানকারী কিনেক্সনের ডিজাইন করা এ বছরের বিশ্বকাপের বলগুলোতে রয়েছে একটি লাইট ওয়েট সেন্সর। আইএমইউ দ্বারা তৈরি এ সেন্সরগুলো ইউডব্লিউবি রেডিও ফ্রিকোয়ন্সি ব্যবহারের পাশাপাশি রিয়েল-টাইম স্থানিক অবস্থান এবং স্থান পরিবর্তন সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে। কিনেক্সনের নিজস্ব লোকাল পজিশনিং সিস্টেম (এলপিএস) বলের গতি ট্র্যাক করার কাজটি সম্ভব করেছে।

বলের ভেতরে থাকা সেন্সরটি ২ এবং ত্রিমাত্রিক উভয় গতিবিধি শনাক্ত করতে পারে এবং ২০ মাইক্রোসেকেন্ডের কম সময়ে সেন্টিমিটার পরিমাণ সঠিক গণনা প্রদান করতে পারে। ফলে, বর্তমানে অফসাইড, পেনাল্টি, ফাউলসহ যে কোন অফিশিয়াল সিদ্ধান্ত নেয়া আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে।

বলের ভেতরে থাকা বিশেষ সাসপেনশন প্রযুক্তির জন্য বলের ভেতরের সেন্সরটি সঠিক স্থানে অবস্থান করতে পারে। কিনেক্সনের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, লাইভ বল ট্র্যাকিংয়ে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করা যায়। এ ছাড়া গোল, পেনাল্টি এবং অফসাইডের মতো জটিল পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকরা আপ-টু-ডেট, রিয়েল-টাইম তথ্য ব্যবহার করে একজন ফুটবলার কিভাবে মাঠে পারফর্ম করছে সেটি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারে।

সেন্সর থেকে পাওয়া তথ্য এককথায় একটি ডেটা প্যাকেজ হিসেবে কাজ করে। যে প্যাকেজ থেকে বলের আবৃত দূরত্ব, বলের ত্বরণ এবং গতি, আক্রমণ ও রক্ষণের সময় খেলোয়াড়রা কতদূর দৌড়েছে, কোনো নির্দিষ্ট সময়ে ড্রিবলিং গতি কত ছিল, গোলের সময় বল শট করার গতি, দলের পাসিং ইত্যাদি তথ্য নির্ভুলভাবে পাওয়া যায়।

কিনেক্সনের মতে, তাদের নিজস্ব বল ট্র্যাকিং সমাধানের প্রযুক্তি গত বছরের সেপ্টেম্বরে ফিফা ইপিটিএস পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে। ২০২২ বিশ্বকাপের ফরোয়ার্ড থেকে কিনেক্সনের লাইভ প্লেয়ার এবং বল ট্র্যাকিং ছিল ফিফার পছন্দের তালিকার শীর্ষে।

এ ছাড়া চলতি বছরের বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামের ছাদের নিচে হক-আই নামে পরিচিত অপটিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। ‘আধা-স্বয়ংক্রিয় অফসাইড প্রোগ্রাম’ নামকরণে বল ট্র্যাকার এবং ভিএআর প্রযুক্তির সংমিশ্রণ যেকোনো সময়ে খেলার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তকে সহজ করে তুলেছে।

ট্যাগ :

আরো পড়ুন