মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪

ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে বিমান পরিবহন সেক্টর

ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে বিমান পরিবহন সেক্টর

ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে বিমান পরিবহন সেক্টর

বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০

 

 

৬৭১ বার পড়া হয়েছে

প্রিয় পাঠক:নতুন ধরনের করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর ব্রিটেন, ওমান ও সৌদি আরবসহ বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এই অবস্থায় বিভিন্ন ব্যয় টানতে গিয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাত।

এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মহিবুল হক সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় অন্য দেশের মতো বাংলাদেশের বিমান পরিচালনা বন্ধের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। খুব দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’ মধ্যপ্রাচ্যের দুটি দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো দেশের সঙ্গে ফ্লাইট বন্ধ করিনি। তারা এক্সেস দিচ্ছে না বলে আমাদের বিমান যেতে পারছে না।’

সিনিয়র সচিব আরও জানান, করোনায় বিমানের প্রায় ৩ হাজার এবং পর্যটন খাতের ক্ষতি প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও অনেক খাত বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। একক মন্ত্রণালয় হিসেবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। তবে প্রধানমন্ত্রীর সময়োপযোগী সিদ্ধান্তে আমরা ধীরে ধীরে একটা পর্যায়ে চলে আসছিলাম। বিমানবন্দর, হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট খুলে দেওয়া হচ্ছিল। বাংলাদেশে ২৯টি এয়ারলাইনস ফ্লাইট পরিচালনা করত। সব ফ্লাইটের মধ্যে যাত্রীবাহী ফ্লাইটের সংখ্যা ছিল ১৯৮টি। আর কার্গোবাহী ফ্লাইটের সংখ্যা ছিল ৭৪টি। সবই এখন আবার হুমকিতে পড়ল বলে জানান তিনি।
এর আগে করোনা মহামারির শুরুতে তিন মাস বন্ধ ছিল দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ চলাচল। এরপর ধীরে ধীরে কিছু দেশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হলেও পাঁচটি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস নতুন করে ফ্লাইট শুরু করতে পারেনি। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিমানের ম্যানচেস্টার, মদিনা, ব্যাংকক, কাঠমান্ডু ও কুয়েত রুটের সব ফ্লাইট বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। দেশের অন্য এয়ারলাইনসগুলোও ঠিকভাবে ফ্ল্যাইট চালু করতে পারেনি।

উড়োজাহাজ আকাশে ডানা মেলুক আর না মেলুক, এর পেছনে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় মোটা অঙ্কের। এর ওপর লিজে আনা উড়োজাহাজের ভাড়া পরিশোধ, সিভিল এভিয়েশনের অ্যারোনটিক্যাল ও নন-অ্যারোনটিক্যাল চার্জ, কর্মীদের বেতন, অফিস ভাড়াসহ বিভিন্ন ব্যয় টানতে গিয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাত।

ট্যাগ :

আরো পড়ুন