মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪

ইউরোপ যাচ্ছে সাতক্ষীরার ১০০ টন আম

ইউরোপ যাচ্ছে সাতক্ষীরার ১০০ টন আম

ইউরোপ যাচ্ছে সাতক্ষীরার ১০০ টন আম

রবিবার, ১৫ মে, ২০২২

 

 

৩৬০ বার পড়া হয়েছে

প্রিয় পাঠকঃঅষ্টমবারের মতো ইউরোপের কয়েকটি দেশে যাবে সাতক্ষীরার আম। গোবিন্দভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আম্রপালি রয়েছে রফতানির ওই তালিকায়। এ জন্য বিষমুক্ত ও নিরাপদ আম চাষে জেলার ৫০০ চাষিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ১৪টি কোম্পানি এসব আম রফতানি করবে।

জানা গেছে, আবহাওয়া এবং পরিবেশগত কারণে দেশের অন্যসব জেলার আম পাকার আগেই সাতক্ষীরায় পাকতে শুরু করে। এ জন্য দেশের বাজারে সবার আগে এখানকার আম বিক্রি শুরু হয়। বিগত কয়েক বছর বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন জেলার আমচাষিরা। এবারও আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় অন্যান্য বছরের তুলনায় আমের ফলন কম হয়েছে। দাবদাহ ও সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় আকার কিছুটা ছোট হয়েছে। তবে এ বছর জেলায় ঝড় না হওয়ায় গাছের ফল গাছে রয়েছে। এতেই খুশি চাষিরা।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, চলতি বছর জেলায় চার হাজার ১৫২ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। জেলায় সরকারি তালিকাভুক্ত পাঁচ হাজার ২৯৯টি আমবাগান ও ১৩ হাজার আমচাষি রয়েছেন। চলতি মৌসুমে জেলায় আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫০ হাজার মেট্রিকটন। আবহাওয়া অনুকূল না থাকায় এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না।

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মোড় এলাকার আম ব্যবসায়ী বিপ্লব ভট্টাচার্য বলেন, ‘চলতি মৌসুমে ১২টি বাগান কিনেছিলাম। বাগানের অধিকাংশ গাছে আম আসেনি। প্রয়োজন অনুযায়ী বৃষ্টি হয়নি। সে কারণে অনেক আম ঝরে গেছে। আম আকারে কিছুটা ছোট হয়েছে। দামও খুব বেশি পাওয়া যাচ্ছে না। গোপালভোগ ২০০০ থেকে ২২০০ টাকায় মণ বিক্রি করছি।’

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক নূরুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি মৌসুমে জেলায় আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার মেট্রিকটন। বাজে আবহাওয়ার কারণে জেলার অধিকাংশ গাছে মুকুল আসেনি। সে কারণে এবার ফলন অনেক খারাপ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে না।’

ট্যাগ :

আরো পড়ুন